Ans:
লৌহ-ইস্পাত শিল্প কাঁচামাল উৎপাদক অঞ্চলে গড়ে ওঠে। এই শিল্প প্রধানত অবিশুদ্ধ কাঁচামালভিত্তিক শিল্প।
কাঁচামাল প্রাপ্তিস্থান- ঝাড়খন্ডের সিংভূম, উড়িষ্যার ময়ূরভঞ্জ, ছত্রিশগড়ের কিছু অঞ্চল থেকে উচ্চ মানের লৌহ আকরিক পাওয়া যায়। দামোদর অববাহিকা অর্থাৎ রানীগঞ্জ, ঝরিয়া, বোকারো, গিরিডি এবং মহানদী-শোন- ব্রাহ্মণী অঞ্চল থেকে পর্যাপ্ত উৎকৃষ্ট শ্রেণীর বিটুমিনাস কয়লা পাওয়া যায় । এছাড়াও ওড়িশা, মধ্যপ্রদেশ থেকে চুনাপাথর, ম্যাঙ্গানিজ পাওয়া যায়।
বিদ্যুৎ- দামোদর উপত্যকা পরিকল্পনায়, মহানদী পরিকল্পনায় হীরাকুদ জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ শক্তির জোগান রয়েছে।
জল- দামোদর, সুবর্ণরেখা, ব্রাহ্মণী, বরাকর মহানদী এবং তেনুঘাট ও মঞ্জিরা জলাধার থেকে প্রয়োজনীয় স্বচ্ছ জল পাওয়া যায়।
শ্রমিক- শিল্পকার্য পরিচালনায় প্রচুর শ্রমিকের প্রয়োজন হয়।
পরিবহন- পূর্ব, পূর্ব-মধ্য ও দক্ষিণ-পূর্ব-মধ্য রেলপথের মাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় ও রাজ্য সড়কপথ, বন্দরের অবস্থান নিকটে হওয়ায় অতি সহজে কাঁচামাল আমদানি এবং ইস্পাত পরিবহনের সুবিধা রয়েছে।
বাজার- দূর্গাপুর, হলদিয়া, আসানসোল প্রভৃতি শিল্পাঞ্চলে ইস্পাতের চাহিদা থাকায় ও বিদেশের রপ্তানির সুবিধা থাকায় ইস্পাত শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটেছে।
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও ভিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন