মাধ্যমিক ২০১৯ ইতিহাস প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান
Maddhamik History 2019 Question Paper Solution
1. সঠিক উত্তরটি নির্বাচন করো: 20×1=20
1.1. মোহনবাগান ক্লাব আই এফ.এ. শিল্ড জয় করেছিল-
- ১৮৯০ খ্রিঃ
- ১৯০৫ খ্রিঃ
- ১৯১১ খ্রিঃ
- ১৯১৭ খ্রিঃ
Ans : ১৯১১ খ্রিঃ
1.2. দাদাসাহেব ফালকে যুক্ত ছিলেন-
- চলচ্চিত্রের সঙ্গে
- ক্রীড়া জগতের সঙ্গে
- স্থানীয় ইতিহাসচর্চার সঙ্গে
- পরিবেশের ইতিহাস চর্চার সঙ্গে
Ans: চলচ্চিত্রের সঙ্গে
1.3. 'গ্রামবার্তা প্রকাশিকা' প্রকাশিত হত
- যশোর থেকে
- রানাঘাট থেকে
- কুষ্টিয়া থেকে
- বারাসাত থেকে
Ans : কুষ্টিয়া থেকে
1.4. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বি.এ. পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়-
- ১৮৫৭ খ্রিঃ
- ১৮৫৮ খ্রিঃ
- ১৮৫৯ খ্রিঃ
- ১৮৬০ খ্রিঃ
Ans: ১৮৬০ খ্রিঃ
1.5. কলকাতা মেডিকেল কলেজের প্রথম অধ্যক্ষ ছিলেন-
- ড. এম জে ব্রামলি
- ড. এইচ. এইচ. গুডিড
- ড. এন. ওয়ালিশ
- ড. জে গ্রান্ট
Ans : ড. এম. জে. ব্রামলি
1.6. তিতুমিরের প্রকৃত নাম ছিল-
- চিরাগ আলি
- হায়দর আলি
- মির নিসার আলি
- তোরাপ আলি
Ans: মির নিসার আলি
1.7. সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহের অন্যতম নেতা ছিলেন-
- রানি কর্ণাবতী
- রানি শিরোমণি
- দেবী চৌধুরানী
- রানী দুর্গাবতী
Ans: দেবী চৌধুরানী
1.8. 'বন্দেমাতরম' সংগীতটি রচিত হয়-
- ১৮৭০ খ্রিঃ
- ১৮৭২ খ্রিঃ
- ১৮৭৫ খ্রিঃ
- ১৮৭৬ খ্রিঃ
Ans: ১৮৭৫ খ্রিঃ
1.9. 'বর্তমান ভারত' গ্রন্থটি রচনা করেন-
- অক্ষয় কুমার দত্ত
- রাজনারায়ণ বসু
- স্বামী বিবেকানন্দ
- রমেশচন্দ্র মজুমদার
Ans: স্বামী বিবেকানন্দ
1.10. গগনেন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন-
- সঙ্গীত শিল্পী
- নাট্যকার
- কবি
- ব্যঙ্গ চিত্রশিল্পী
Ans: ব্যঙ্গ চিত্রশিল্পী
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
1.11. 'বর্ণপরিচয়' প্রকাশিত হয়েছিল-
- ১৮৪৫ খ্রিঃ
- ১৮৫০ খ্রিঃ
- ১৮৫৫ খ্রিঃ
- ১৮৬০ খ্রিঃ
Ans: ১৮৫৫ খ্রিঃ
1.12. বেঙ্গল টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯০৫ খ্রিঃ
- ১৯০৬ খ্রিঃ
- ১৯১১ খ্রিঃ
- ১৯১২ খ্রিঃ
Ans: ১৯০৬ খ্রিঃ
1.13. সর্বভারতীয় কিষাণ সভার প্রথম সভাপতি ছিলেন-
- এন. জি. রঙ্গ
- স্বামী সহজানন্দ
- বাবা রামচন্দ্র
- লালা লাজপত রায়
Ans: স্বামী সহজানন্দ
1.14. কংগ্রেস সমাজতন্ত্রী দল প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল-
- কলকাতায়
- দিল্লিতে
- বোম্বাইতে
- মাদ্রাজে
Ans : মাদ্রাজে
1.15. ওয়ার্কার্স অ্যান্ড পেজেন্টস পার্টি যুক্ত ছিল-
- রাওলাট সত্যাগ্রহে
- অসহযোগ আন্দোলনে
- বারদৌলি সত্যাগ্রহে
- সাইমন কমিশন বিরোধী আন্দোলনে
Ans: বারদৌলি সত্যাগ্রহে
1.16. বাংলার গভর্নর স্ট্যানলি জ্যাকসনকে হত্যা করার চেষ্টা করেন
- বীণা দাস
- কল্পনা দত্ত
- প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদার
- সুনীতি চৌধুরি
Ans: বীণা দাস
1.17. অ্যান্টি সার্কুলার সোসাইটির সম্পাদক ছিলেন-
- শচীন্দ্র প্রসাদ বসু
- কৃষ্ণ কুমার মিত্র
- চিত্তরঞ্জন দাস
- আনন্দমোহন বসু
Ans: শচীন্দ্র প্রসাদ বসু
1.18. ভাইকম সত্যাগ্রহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল-
মালাবারে
মাদ্রাজে
মহারাষ্ট্রে
গোদাবরী উপত্যকায়
Ans: গোদাবরী উপত্যকায়
1.19. যে দেশীয় রাজ্যটি গণভোটের মাধ্যমে ভারতীয় ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত হয়-
কাশ্মীর
হায়দ্রাবাদ
জুনাগড়
জয়পুর
Ans: জুনাগড়
1.20. ভাষাভিত্তিক গুজরাট রাজ্যটি গঠিত হয়-
১৯৫৩ খ্রিঃ
১৯৫৬ খ্রিঃ
১৯৬০ খ্রিঃ
১৯৬৫ খ্রিঃ
Ans: ১৯৬০ খ্রিঃ
2. যে-কোনো ষোলোটি প্রশ্নের উত্তর দাও (প্রতিটি উপবিভাগ থেকে অন্ততঃ একটি প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে) 16×1=16
2.1. একটি বাক্যে উত্তর দাও। 1×4=4
2.1.1. 'গোরা' উপন্যাসটি কে রচনা করেন ?
Ans: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
2.1.2. বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম চিত্রিত গ্রন্থের নাম লেখো।
Ans: অন্নদামঙ্গল।
2.1.3. কোন বছর শ্রীরামপুর মিশন প্রেস প্রতিষ্ঠিত হয় ?
Ans: ১৮০০ খ্রিস্টাব্দে
2.1.4. ঊষা মেহতা কোন আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ?
Ans: ভারত ছাড় আন্দোলনের সাথে
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
2.2. ঠিক বা ভুল নির্ণয় করো। T/F 1×4=4
2.2.1. 'সোমপ্রকাশ' পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ।
Ans: ঠিক (T)
2.2.2. কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় এর প্রথম মহিলা এম.এ. ছিলেন কাদম্বিনী বসু (গাঙ্গুলি)।
Ans: ঠিক (T)
2.2.3. বাংলা সশস্ত্র বিপ্লবী আন্দোলনের অন্যতম নেত্রী ছিলেন বাসন্তী দেবী।
Ans: ভুল (F)
2.2.4. দীপালি সংঘ প্রতিষ্ঠা করেন কল্পনা দত্ত।
Ans: ভুল
2.0. 'ক স্তম্ভের সঙ্গে 'খ' স্তম্ভ মেলাও। 1×4=4
Ans :
2.3.1. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় - (4) বঙ্গদর্শন
2.3.2. নবগোপাল মিত্র - (3) হিন্দু মেলা
2.3.3. বীরেন্দ্রনাথ শাসমল - (2) কৃষক আন্দোলন
2.3.1. ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন - (1) হিন্দু বালিকা বিদ্যালয়
2.4. প্রদত্ত ভারতবর্ষের রেখা মানচিত্রে নিম্নলিখিত স্থানগুলি চিহ্নিত ও নামাঙ্কিত কর
2.4.1. সাঁওতাল বিদ্রোহের (১৮৫৫) এলাকা।
2.4.2. বারাসাত বিদ্রোহের এলাকা।
2.4.3. নীলবিদ্রোহের অন্যতম কেন্দ্র। যশোর।
2.4.4. দেশীয় রাজা হায়দ্রাবাদ।
Ans: Updated later
(কেবলমাত্র দৃষ্টিহীন পরীক্ষার্থীদের জন্য)
2.4.1. সরলাদেবী চৌধুরানী আত্মজীবনী গ্রন্থের নাম ____'
Ans: জীবনের ঝরাপাতা
2.4.2. কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় _______ খ্রিস্টাব্দে।
Ans: ১৮০৫ খ্রিস্টাব্দে
2.4.3. সুই মুণ্ডা ছিলেন_______ বিদ্রোহের অন্যতম নেতা।
Ans: কোল।
2.4.4. ভারতসভা প্রতিষ্ঠিত হয়______ খ্রিস্টাব্ন্সে।
Ans: ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে।
2.5. নিম্নলিখিত বিবৃতিগুলির সঙ্গে সঠিক বাক্যটি নির্বাচন করো।
2.5.1. বিবৃতি: রামমোহন রায় লর্ড আমহার্স্টকে চিঠি লিখেছিলেন (১৮২৩ খ্রিঃ)।
- ব্যাখ্যা ১ সতীদাহ প্রথা বন্ধের অনুরোধ জানিয়ে।
- ব্যাখ্যা ২: ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারের আবেদন জানিয়ে।
- ব্যাখ্যা ৩: ভারতে সংস্কৃত শিক্ষাবিস্তারের আবেদন জানিয়ে।
Ans: ভারতে পাশ্চাত্য শিক্ষাবিস্তারের আবেদন জানিয়ে।
2.5.2. বিবৃতি: স্বামী বিবেকানন্দ 'বর্তমান ভারত' গ্রন্থটি রচনা করেন।
- ব্যাখ্যা ১। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল আধুনিক ভারতের ইতিহাস প্রণয়ন করা।
- ব্যাখ্যা ২: তাঁর উদ্দেশ্য ছিল নব্য হিন্দুধর্ম প্রচার করা।
- ব্যাখ্যা ৩: তাঁর উদ্দেশ্য ছিল স্বদেশিকতা প্রচার করা।
Ans: তাঁর উদ্দেশ্য ছিল নব্য হিন্দুধর্ম প্রচার করা।
2.5.3. বিবৃতি বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলনে শ্রমিক কৃষকদের জন্য কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি।
- ব্যাখ্যা ১: শ্রমিক-কৃষকরা এই আন্দোলনের বিরোধী ছিল।
- ব্যাখ্যা ২: ব্রিটিশ সরকার শ্রমিক-কৃষকদের আন্দোলনের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছিল।
- ব্যাখ্যা ৩: বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন ছিল মূলত মধ্যবিত্ত শ্রেণির আন্দোলন।
Ans: বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন ছিল মূলত মধ্যবিত্ত শ্রেণির আন্দোলন।
2.5.4. বিবৃতি: গান্ধিজি জমিদারদের বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন সমর্থন করেননি।
- ব্যাখ্যা ১: গান্ধিজি ছিলেন জমিদার শ্রেণির প্রতিনিধি।
- ব্যাখ্যা ২: গান্ধিজি হিংসাত্মক আন্দোলনের বিরোধী ছিলেন।
- ব্যাখ্যা ৩: গান্ধিজি শ্রেণিসংগ্রামের পরিবর্তে শ্রেণি সমন্বয়ে বিশ্বাসী ছিলেন।
Ans: গান্ধিজি হিংসাত্মক আন্দোলনের বিরোধী ছিলেন।
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
3. দু'টি অথবা তিনটি বাক্যে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও (যে কোনো এগারোট) 2×11=22
3.1. আঞ্চলিক ইতিহাসচর্চা গুরুত্বপূর্ণ কেন ?
Ans: স্থানীয় বা আঞ্চলিক ইতিহাসচর্চার দ্বারা স্থানীয় অঞ্চলের সমাজ, অর্থনীতি, শিল্পকলা প্রভৃতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়। জাতীয় ইতিহাসচর্চার জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন উপাদান পাওয়া যায়। আঞ্চলিক ইতিহাসের মাধ্যমেই জাতীয় ইতিহাস পূর্ণাঙ্গ রূপ নিতে পারে।
3.2. 'সরকারি নথিপত্র' বলতে কী বোঝায় ?
Ans: বিভিন্ন সরকারি কর্মচারী, সেনাপতি, সরকারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা সমকালীন বিভিন্ন প্রত্যক্ষ ঘটনা সম্পর্কে যে তথ্যাদি লিখে গিয়েছেন সেই সবই সরকারি নথিপত্রের বিবরণ নামে পরিচিত।
3.3. সংবাদপত্র এবং সাময়িক-পত্রের মধ্যে পার্থক্য কী ?
Ans:
(ক) সাধারণত সংবাদপত্র প্রতিদিন প্রকাশিত হয়। কিন্তু সাময়িকপত্র একটি নির্দিষ্ট সময় অন্তর প্রকাশিত হয়।
(খ) সংবাদপত্রের মুদ্রণে রোজকার খবরাখবর গুরুত্ব পায়। সাময়িকপত্রে রোজকার খবরের পরিবর্তে সমকালীন বাছাই করা বিষয় গুরুত্ব পায়।
(গ) সংবাদপত্রের পৃষ্ঠা আকারে বড়ো হয় এবং সেগুলো বাঁধানো থাকে না। অন্যদিকে, সাময়িকপত্রের পৃষ্ঠাগুলো অপেক্ষাকৃত ছোটো হয় এবং সাধারণত তা বইয়ের মতো বাঁধাই করা হয়।
3.4. মধুসূদন গুপ্ত কে ছিলেন ?
Ans: মধুসূদন গুপ্ত ছিলেন কলকাতা মেডিকেল কলেজের একজন ছাত্র। এদেশে তিনিই প্রথম শব বা মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদ করে এক যুগান্তকারী ঘটনা ঘটান। তিনি ১৮৪০ খ্রিস্টাব্দে ডাক্তারি পাস করেন এবং পরে মেডিকেল কলেজের চাকরিতে যোগ দেন।
3.5. সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহ ব্যর্থ হল কেন ?
Ans: সমসী ফকির বিদ্রোহ ব্যর্থ হওয়ার প্রধান কারণগুলি হল-
(ক) এই বিদ্রোহে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে অনেকেই বাংলার বাইরে থেকে এসেছিলেন। তাই বাংলায় তাদের জনভিত্তি ছিল দুর্বল।
(খ) এই বিদ্রোহ শুরু থেকেই ক্ষুদ্র অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল।
(গ) সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে এই বিদ্রোহ জনপ্রিয় হতে পারে নি।
3.6. নীল বিদ্রোহে খ্রিস্টান মিশনারিদের ভূমিকা কিরূপ ছিল?
Ans: বাংলায় সংঘটিত নীল বিদ্রোহে ইউরোপ থেকে ভারতে আগত খ্রিস্টান মিশনারিদের বিশেষ ভূমিকা ছিল। (১) এই বিদ্রোহের সময় তারা নীলচাষিদের প্রতি সমর্থন ও সহানুভূতি জানায়। (২) তারা নীলকর সাহেবদের অত্যাচার ও শোষণের চিত্র স্থানীয় সংবাদপত্রগুলিতে তুলে ধরে। (৩) তারা উপলব্ধি করে যে, নীলচাষিদের দুর্দশা দূর করার জন্য তাদের মধ্যে উন্নত খ্রিস্টান শিক্ষা' ও গণশিক্ষার প্রসার ঘটানো প্রয়োজন। এখানে উল্লেখ্য, মিশনারি জেমস লঙ নীলকরদের তীব্র সমালোচক ছিলেন।
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
3.7. জমিদারসভা ও ভারতসভার মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখো।
Ans: জমিদার সভা ও ভারতসভার মধ্যে দুটি মৌলিক পার্থক্য হল (১) জমিদার সভা ছিল মূলত জমিদার ও ধনী ব্যবসায়ীদের সংগঠন। অন্যদিকে, ভারতসভা সর্বস্তরের মানুষকে নিয়ে গণসংগঠন গড়ে তুলেছিল। (২) জমিদার সভার প্রধান লক্ষা ছিল বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার জমিদারদের স্বার্থ রক্ষা করা। অন্যদিকে, ভারতসভার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ভারতীয়দের সার্বিক কল্যাণসাধন ও স্বার্থরক্ষা।
3.8. উনিশ শতকে জাতীয়তাবাদের উন্মেষে 'ভারতমাতা' চিত্রটির কীরূপ ভূমিকা ছিল ?
Ans: অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর আঁকা 'ভারতমাতা'র চার হাতে বেদ, ধানের শিষ, জপের মালা, ও শ্বেতবস্ত্র দেখিয়েছেন। এগুলির দ্বারা তিনি ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী স্বদেশি আন্দোলনের যুগে ভারতীয়দের মধ্যে স্বদেশিয়ানা ও জাতীয়তাবাদী অনুভূতি জাগিয়ে তোলার চেষ্টা করেছেন।
3.9. চার্লস উইলকিনস কে ছিলেন ?
Ans: প্রাচ্যবাদী পণ্ডিত চার্লস উইলকিনস পঞ্চানন কর্মকারের সাহায্যে বাংলা মুদ্রাক্ষর খোদাই এবং অক্ষর ঢালাইয়ের কাজ করেন। তার তৈরি বাংলা মুদ্রাক্ষরের সাহায্যেই হ্যালহেড তার বাংলা গ্রামার বইটিতে উদাহরণরূপে বাংলা মুদ্রণের ব্যবস্থা করেন। তাই তিনি বাংলার গুটেনবার্গ নামে পরিচিত।
3.10. বাংলা লাইনোটাইপ প্রবর্তনের গুরুত্ব কী ?
Ams: লাইনোটাইপ আদতে একটি কম্পোজিং মেশিন। এর সাহায্যে হাতের বদলে মেশিনে অত্যন্ত দ্রুত ও সুচারুরূপে চলমান ধাতব হরফ স্থাপন করা যেত। বাংলায় ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দ নাগাদ সুরেশচন্দ্র মজুমদার, রাজশেখর বসু প্রমুখের উদ্যোগে এই প্রযুক্তিতে সংবাদপত্র ছাপা শুরু হয়।
3.11. কৃষক আন্দোলনের বাবা রামচন্দ্রের কীরূপ ভূমিকা ছিল ?
Ans: অসহযোগ আন্দোলনের সময় কৃষক আন্দোলনে বাবা রামচন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন। তিনি যুক্তপ্রদেশে পঠিত কিষান সভার নেতৃত্বে কৃষকদের নিয়ে শক্তিশালী আন্দোলন গড়ে তোলেন। তাঁর নেতৃত্বে কিষান সভার আন্দোলন কংগ্রেসের অসহযোগ আন্দোলনের সাথে মিশে গিয়ে জোরালো হয়ে ওঠে।
3.12. মাদারি পাশি কে ছিলেন ?
Ans: অসহযোগ আন্দোলনকালে যুক্ত প্রদেশের বিশিষ্ট কৃষক নেতা ছিলেন মাদারি পাশি। তিনি যুক্তপ্রদেশের হরদই, বারাবাকি, সীতাপুর, বারাইচ প্রভৃতি জেলার কৃষকদের সংঘবদ্ধ করে অতিরিক্ত কর আদায়ের ক্ষেত্রে অত্যাচার, বেগারশ্রম প্রভৃতির বিরুদ্ধে 'একা বা একতা' আন্দোলন শুরু করেন।
3.13. মাতঙ্গিনী হাজরা স্মরণীয় কেন ?
Ans: ভারত ছাড়ো আন্দোলনের সময় একজন গান্ধিবাদী নেত্রী ছিলেন মাতঙ্গিনী হাজরা। ৭০ বছরের মাতঙ্গিনী হাজরা তমলুক থানা অভিযানে নেতৃত্ব দিয়ে পুলিশের গুলিতে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি ' গান্ধিবুড়ি' নামে পরিচিত।
3.14. দলিত কাদের বলা হয় ?
Ans: হিন্দু বর্ণব্যবস্থায় জন্ম ও পেশাগত পরিচিতির বিচারে যে সব মানুষ সমাজের নিম্নস্তরে অবস্থান করে এবং বিভিন্ন সময়ে উচ্চবর্ণের দ্বারা সামাজিক বঞ্ছনার শিকার হয়, তারা সাধারণভাবে দলিত নামে পরিচিত।
3.15. দার কমিশন (১৯৪৮) কেন গঠিত হয়েছিল ?
Ans: ১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে স্বাধীনতা লাভের পর ভারতীয় অঙ্গরাজ্য এবং ভারতে যোগ দেওয়া বিভিন্ন দেশীয় রাজ্যগুলির সীমানা জাতি না ভাষার ভিত্তিতে নির্ধারিত হওয়া উচিত তা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়। এই প্রশ্নের মীমাংসার উদ্দেশ্যে ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে দার কমিশন গঠিত হয়।
3.16. পত্তি শ্রীরামুলু কে ছিলেন ?
Ans: পত্তি শ্রীরামুলু ছিলেন দক্ষিণ ভারতের একজন গান্ধিবাসী নেতা। মাদ্রাজ প্রদেশের তেলুগু ভাষাভাষী অঞ্চল নিয়ে পৃথক রাজ্য গঠনের দাবিতে তিনি ৫৮দিন অনশন করে ১৯৫২ খ্রিস্টাব্দে মৃত্যুবরণ করেন।
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
4. সাত বা আটটি বাক্যে যে-কোনো ছ'টি প্রশ্নের উত্তর দাও (প্রতিটি উপবিভাগ থেকে অন্তত একটি করে প্রশ্নের উত্তর দাও): 6×4=24
4.1. 'নীলদর্পণ নাটক থেকে উনিশ শতকের বাংলার সমাজের কীরূপ প্রতিফলন পাওয়া যায় ?
4.2. উনিশ শতকে নারীশিক্ষা বিস্তারে ড্রিঙ্কওয়াটার বেখুন কী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন ?
Ans: উনিশ শতকের শুরুর দিকে মেরি অ্যান কুরা, রাধাকান্ত দেব প্রমুখের উদ্যোগে নারীশিক্ষার সূচনা হলেও ১৮৪৬ খ্রিস্টাব্দে বড়লাটের শাসন পরিষদের আইনসদস্য ও বাংলার শিক্ষা কাউন্সিলের সভাপতি ড্রিঙ্কওয়াটার বেথুন কর্তৃক হিন্দু ফিমেল স্কুল বা 'নেটিভ ফিমেল স্কুল' প্রতিষ্ঠা এই উপমহাদেশে নারীশিক্ষায় নতুন যুগের সূত্রপাত ঘটিয়েছিল। জন এলিয়ট ড্রিঙ্কওয়াটার বিটন বেথুন সাহেব নামে পরিচিত ছিলেন। বেথুন সাহেবের স্মৃতিতে পরে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নাম হয় 'বেথুন স্কুল' এবং ১৮৭৮ খ্রিস্টাব্দে এটি মহাবিদ্যালয় বা কলেজের মর্যাদা লাভ করে। বেথুন সাহেব নিজেই রাধাকান্ত দেবের 'স্ত্রীশিক্ষা বিষয়ক' নামক বইটির সংস্করণ প্রকাশ ও প্রচার করেন। বেথুন কলেজ হল ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম মহিলা কলেজ।
বহুভাষাবিদ, ইংরেজি সাহিত্যে সুপণ্ডিত এবং আইনজ্ঞ বেথুন সাহেব অনুভব করেছিলেন এদেশে নারীদের সামগ্রিক উন্নতির জন্য সর্বাগ্রে প্রয়োজন আধুনিক শিক্ষা এবং উন্নত মানের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তাকে এ কাজে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন স্বয়ং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, মদনমোহন তর্কালঙ্কার, রামগোপাল ঘোষের মতো অগ্রগণ্য ব্যক্তিরা। বেথুন সাহেব তার মাসিক আয়ের অধিকাংশ এবং বিষয় আশয় এই বিদ্যালয়ের জন্য ব্যয় ও দান করে যান। মেয়েদের ধর্মনিরপেক্ষ ও আধুনিক শিক্ষাদানের পাশাপাশি সুচিশিল্প, এমব্রয়ডারি, অঙ্কনবিদ্যায় পারদর্শিনী করে তোলাই ছিল বেথুন সাহেবের উদ্দেশ্য। তিনি শিক্ষাদানের ক্ষেত্রে মাতৃভাষার ওপর গুরুত্ব দিয়েছিলেন। বেখুন সাহেব ফিমেল জুভেনাইল সোসাইটি ও কলকাতা পাবলিক লাইব্রেরি গঠনে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছিলেন। বঙ্গভাষানুবাদ সমাজ গঠনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেন।
4.3. হিন্দুমেলা প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য কী ছিল ?
Ans: উনবিংশ শতাব্দীর দ্বিতীয়ার্ধে নব্যহিন্দুবাদ এবং বাংলা তথা ভারতে সাধারণ মানুষের মধ্যে জাতীয় চেতনার জাগরণ ঘটানো এবং জাতীয় গৌরব বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ব্রিটিশ শাসনকালে গঠিত সংগঠনগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল হিন্দুমেলা'। রাজনারায়ণ বসুর সহযোগিতায় নবগোপাল মিত্র ১৮৬৭ খ্রিস্টাব্দে চৈত্র সংক্রান্তির দিন 'হিন্দুমেলা' প্রতিষ্ঠা করেন। তাই এটি 'চৈত্রমেলা' নামেও পরিচিত ছিল। এর প্রথম সম্পাদক হন জ্ঞানেন্দ্রনাথ ঠাকুর। 'হিন্দুমেলা প্রতিষ্ঠার পিছনে উদ্যোক্তাদের বেশ কিছু আদর্শ ও উদ্দেশ্য ছিল যা হল-
(i) সাধারণ মানুষ বিশেষ করে শিক্ষিত যুবকদের মধ্যে হিন্দুধর্মের অতীত গৌরবগাথা ছড়িয়ে দেওয়া।
(ii) দেশীয় ভাষাচর্চা করা ও জাতীয় প্রতীকগুলিকে মর্যাদা দেওয়া।
(iii) প্রাচীন হিন্দুধর্মের মর্যাদা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা, দেশপ্রেম ও স্বাধীনতার আদর্শে সবাইকে অনুপ্রাণিত করা।
(iv) গোপনে হিন্দু যুবকদের মধ্যে বৈপ্লবিক ভাবধারা জাগিয়ে তোলা।
(V) হিন্দু জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করা এবং আত্মনির্ভর ভারতবর্ষ প্রতিষ্ঠা করা।
হিন্দুমেলা শরীরচর্চা, অশ্বচালনা প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা, সাহিত্য, শিল্প, সঙ্গীত ও স্বাস্থ্য প্রভৃতির উন্নতি ঘটিয়ে আত্মনির্ভরতা ও ঐক্যবদ্ধতার মাধ্যমে যুবসমাজকে ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বাধীনতা অর্জনের উপযোগী করে গড়ে তুলতে চেয়েছিল। তবে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রত্যক্ষভাবে প্রবেশ না করে 'হিন্দুমেলা' শুধু দেশাত্মবোধ প্রচারের উদ্যোগ নেয়। সর্বোপরি দেশি জিনিসের প্রদর্শনী, জাতীয় সংগীত, বক্তৃতাদি সহ দেশীয় ভাষা মূলত বাংলা ভাষার উৎকর্ষ বৃদ্ধিতে হিন্দুমেলার সদস্যরা সচেষ্ট ছিলেন, যেমন সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর, জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুর তাদের রচিত গান, কবিতা পরিবেশন করেন এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরও মাত্র ১৪ বছর বয়সে তাঁর কবিতা হিন্দুমেলার উপহার' পাঠ করেন। 'হিন্দুমেলা' দেশীয় বিদ্যাশিক্ষার উন্নতি ও প্রসারে নিয়োজিত স্বদেশীদের সম্মান জানান এবং তাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যগুলিকে জনসমক্ষে প্রচারের জন্য ন্যাশনাল পেপার' নামে পত্রিকা প্রকাশ করেন।
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
4.4. 'বঙ্গভাষা প্রকাশিকা সভা'-কে প্রথম রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান বলা হয় কেন ?
4.5. ছাপা বইয়ের সঙ্গে শিক্ষাবিস্তারের সম্পর্ক বিশ্লেষণ করো।
Ans:
ভূমিকা: ঔপনিবেশিক আমলে বাংলা তথা ভারতে আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থার প্রচলন হলে মানুষের হাতে প্রচুর ছাপা বই আসতে থাকে। এইসব ছাপা বই একদিকে যেমন শিক্ষার অগ্রগতি ঘটায় অন্যদিকে ক্রম বুদ্ধিমান শিক্ষার অগ্রগতি ছাপা বইয়ের চাহিদা বুদ্ধি করে।
গণশিক্ষার দিকে যাত্রা: ইতিপূর্বে হাতে লেখা বইয়ের মূল্য খুববেশি হত। তাই এইসব বই সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে ছিল এবং শিক্ষাদান ব্যবস্থা ছিল উচ্চবিত্তদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। কিন্তু ছাপা বই দামে সস্তা হওয়ায় তা সাধারণ মানুষ কেনার ও পড়ার সুযোগ পায়। এই ভাবে শিক্ষাক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ঘটে যা গণশিক্ষার প্রসারের পটভূমি তৈরি করে।
পাঠ্য বইয়ের সহজলভ্যতা: ছাপাখানা প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রচুর পরিমাণ মুদ্রিত ও দামে সস্তা পাঠ্য বই বাজারে আসতে থাকে। ফলে বইয়ের অভাব দূর হয় এবং শিক্ষাবিস্তারের পথ মসুন হয়।
মাতৃভাষায় শিক্ষা: ছাপাখানার মাধ্যমে বাংলা ভাষায় ভাষাশিক্ষা, গণিত, ইতিহাস, ভূগোল, বিজ্ঞান ইত্যাদি বই, বোধিনী বা সহায়িকা বই বাংলা ভাষায় ছাপা হতে থাকে। ফলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা মাতৃভাষায় শিক্ষাগ্রহণের সুযোগ পায়।
শিশুশিক্ষা: ছাপা বই শিশুশিক্ষার অগ্রগতি ঘটাতে বিশেষ ভাবে সহায়তা করে। ছাপাখানায় মুদ্রিত মদনমোহন তর্কালংকারের 'শিশুশিক্ষা, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের 'বর্ণপরিচয়, রামসুন্দর বসাকের 'বাল্যশিক্ষা'র মতো বইগুলি শিশুশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়।
উচ্চশিক্ষা: আশিস খাস্তগীর উল্লেখ করেছেন যে, উনিশ শতকের মধ্যভাগে ব্যাপক পরিমাণে পাঠ্যবই প্রকাশ হতে থাকলে তা উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক হয়ে ওঠে। ফলেবাঙালির উচ্চ শিক্ষার অগ্রগতি অনেক সহজ হয়।
নারীশিক্ষার অগ্রগতি: উনিশ শতকের শেষার্ধে নারীশিক্ষার দাবি ক্রমশ জোরদার হতে থাকে। এই পরিস্থিতিতে সুলভে ছাপা বই নারীদের হাতে পৌঁছালে নারীশিক্ষার গতি ত্বরান্বিত হয়।
উপসংহার: ছাপা বই একদিকে শিক্ষার বিস্তারে ভূমিকা নিয়েছিল, অন্যদিকে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
4.6. বাংলায় বিজ্ঞানচর্চার বিকাশে ড.মহেন্দ্রলাল সরকারের কীরূপ অবদান ছিল?
Ans:
ভূমিকা: বিশুদ্ধ বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় মৌলিক গবেষণা ও চর্চার উদ্দেশ্যে উনিশ শতকে ভারতে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে গড়ে ওঠে সেগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল মহেন্দ্রলাল সরকার প্রতিষ্ঠিত ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কালটিভেশন অফ সায়েন্স বা আই এ সি এস।
যুক্তিবাদের প্রচার: পেশায় চিকিৎসক মহেন্দ্রলাল সরকার মানুষের অন্ধবিশ্বাস দূর করে তাদের যুক্তিবাদের সমর্থক হতে বলেন।
আই. এ. সি. এস-এর প্রতিষ্ঠা: পদার্থ ও রসায়ন বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় নিয়মিত মৌলিক গবেষণা, বিজ্ঞান বিষয়ক বক্তৃতার আয়োজন প্রভৃতি উদ্দেশ্যে মহেন্দ্রলাল ১৮৭৬ খ্রিস্টাব্দে কলকাতার বৌবাজার স্ট্রিটে ভারতবর্ষীয় বিজ্ঞান সভা' (ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অব সায়েন্স' বা আই এ সি এস) প্রতিষ্ঠা করেন। বিজ্ঞানের অধ্যাপক ফাদার ইউজিন লাঁফো তাঁকে এ কাজে বিশেষ সহায়তা করেন।
আই. এ. সি. এস-এর পরিচালনা: ডক্টর মহেন্দ্রলাল সরকার আমৃত্যু এই প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ছিলেন। এই প্রতিষ্ঠান পরিচালন সমিতির সদস্যদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন পন্ডিত চঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, কেশব চন্দ্র সেন প্রমুখ। প্রতিষ্ঠানটির পৃষ্ঠপোষকতা করেন গুরুদাস বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, সুরেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ।
বিজ্ঞান পত্রিকা প্রকাশ: মহেন্দ্রলাল সরকারের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত আই. এ. সি. এস তার নিজস্ব পত্রিকা প্রকাশ করে। ইন্ডিয়ান জার্নাল অব ফিজিক্স নামক এই পত্রিকাতে প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানীদের গবেষণা প্রকাশিত হত।
উপসংহার: বিজ্ঞানচর্চার প্রসারে মহেন্দ্রলালসরকারের উদ্যোগ বাংলা তথা ভারতের বিজ্ঞানচর্চাকে অনেক ধাপ এগিয়ে দেয়। জগদীশচন্দ্র বসু, চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন, মেঘনাদ সাহা প্রমুখ বিখ্যাত বিজ্ঞানী তাঁর প্রতিষ্ঠানে গবেষণা করেছেন। এখানে গবেষণা করেই চন্দ্রশেখর ভেঙ্কট রমন 'রমন ক্রিয়া (রমন এফেক্ট) আবিষ্কার করেন, যার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পান।
4.7. ভারত সরকার কীভাবে দেশীয় রাজ্যগুলিকে ভারতীয় ইউনিয়নে সংযুক্ত করার প্রশ্নটি সমাধান করেছিল ?
4.8. কীভাবে কাশ্মীর সমস্যার সৃষ্টি হয়?
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
5. পনেরো বা ষোলোটি বাক্যে যে-কোনো একটি প্রশ্নের উত্তর দাও: 8×1=8
5.1. বিদ্যাসাগরের নেতৃত্বে বিধবা বিবাহ আন্দোলনের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। বিদ্যাসাগর কতটা সাফল্য অর্জন করেছিলেন? 5+3 =8
Ans:
5.2. বাংলায় কারিগরি শিক্ষার বিকাশের সংক্ষিপ্ত বিবরণ দাও। 8×1= 8
Ans:
5.3. বঙ্গভঙ্গ-বিরোধী আন্দোলনে নারীসমাজ কীভাবে অংশগ্রহণ করেছিল? তাদের আন্দোলনের সীমাবদ্ধতা কী?
(কেবলমাত্র বহিরাগত পরীক্ষার্থীদের জন্য)
6.
6.1 . একটি সম্পূর্ণ বাক্যে উত্তর দাও (যে কোনো চারটি): 4×1=4
6.1.1. 'নীলদর্পণ' নাটকটির রচয়িতা কে?
6.1.2. হিন্দু কলেজ কত খ্রিস্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত হয়?
6.1.3. আনন্দ মঠ কে রচনা করেন?
6.1.4. কত খ্রিস্টাব্দে বিশ্বভারতী প্রতিষ্ঠিত হয়?
6.1.5. 'মাস্টারদা' নামে কে পরিচিত ছিলেন?
6.1.6. নিখিল ভারত ট্রেড ইউনিয়ন কংগ্রেস-এর প্রথম সভাপতি কে ছিলেন?
6.2. দুটি বা তিনটি বাক্যে নিম্নলিখিত প্রশ্নগুলির উত্তর দাও। (যে কোনো তিনটি): 3×2=6
6.2.1. ডেভিড হেয়ার স্মরণীয় কেন?
6.2.2. 'বিপ্লব' বলতে কী বোঝায়?
6.2.3. 'রশিদ আলি দিবস' কেন পালিত হয়েছিল?
6.2.4. ভারতভুক্তির দলিল' বলতে কী বোঝায়?
মাধ্যমিক জীবন বিজ্ঞান প্রশ্নের সম্পূর্ণ সমাধান পেতে ক্লিক করুন
বিভিন্ন চাকরির ও বিভিন্ন স্কুল এর বিষয় এর মক টেস্ট দিতে ক্লিক করুন
If you like this content, please CLICK any of the Ads in this page.
Thank You
Team BJU